• বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
দৈনিক খবর শিরোনাম
‎ঝালকাঠিতে স্বাস্থ্যকর্মীদের চক্ষুস্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ, ছানি নির্মূলে বিশেষ উদ্যোগ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রধান শিক্ষকের মর্মান্তিক মৃত্যু ২০ বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি স্বরুপকাঠি উপজেলার গগন গ্রামে, তিন হাজার মানুষের দুর্ভোগ চাহিদার শীর্ষে যুব উন্নয়নের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ প্রকল্প, ঝালকাঠি জেলায় আবেদন ৪৫১ শিক্ষা সহায়তায় আলো ছড়াচ্ছে ‘সোনিয়া স্মৃতি ফাউন্ডেশন’ সোনামসজিদ সীমান্তে ৩.৭ কেজি গাঁজা ও ব্যাটারি চালিত ভ্যানসহ ১ জন আটক ঝালকাঠিতে ব্রি ধান-১০৬ এর নমুনা কর্তন ও ফিল্ড ওরিয়েন্টেশন ঝালকাঠি সরকারি কলেজের ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময় কিশোর গ্যাং এর হামলা এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে গুরুতর আহত করায় সহপাঠিদের বিক্ষোভ ঝালকাঠি সরকারী বালিকা বিদ্যালয় শিক্ষিকা অপর্ণা দাস’র বিরুদ্ধে অশোভনীয় আচরণ ও শিক্ষার্থীকে প্রতিবন্ধী বলে গালি দেয়ার অভিযোগ

ত্রান কর্মচারীর বিরুদ্ধে দরিদ্রদের ঢেউটিন আত্মসাতের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৫০ দেখায় সময়:
সর্বশেষ: বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট, ২০২৫

ত্রান অফিসের কর্মচারীর বিরুদ্ধে দরিদ্রদের প্রায় ১৫ বান ঢেউটিন আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ভান্ডারিয়া উপজেলার পরিষদের ত্রান ও পূর্নবাসন শাখার অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মুদ্রাক্ষরিক মো: আবু বকর সিদ্দিকি ওরফে বাবলু হাওলাদারের বিরুদ্ধে।

তিনি রাজাপুর উপজেলার গালুয়া ইউনিয়নের দক্ষিন পুটিয়াখালী গ্রামের মো: নাসির উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, দরিদ্রদের জন্য বরাদ্দ থাকা ১৫ বান ঢেউটিন আত্মসাত করে রাজাপুরের দক্ষিন পুটিয়াখালী গ্রামের নিজের ভাইয়ের নতুন বসত ঘরের ছাউনিতে (চালা) ব্যবহার করেছেন আবু বকর সিদ্দিক।

এবিষয়ে জানতে আবু বকরের বাড়ি গেলে তার মেজো ভাই হেলালের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস’র কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার স্বামী বিদেশে থাকেন, আমরা ২০২২ সালে রাজাপুর উপজেলার বিতরনকৃত ত্রানের টিন কিনে ঘরের ছাউনিতে ব্যবহার করেছি। কার কাছ থেকে কিনেছেন জানতে চাইলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী জানান, আমরা দেখেছি আবু বকর সিদ্দিক বাবলুর ঘরের চালে সরকারি সীল যুক্ত টিন লাগানো হয়েছে। আমরা তখন তাদের কাছে কিছু জানতে চাইনি কারন বাবলু উপজেলার ত্রান শাখায় চাকরি করেন।

দক্ষিন পুটিয়াখালী এলাকার সচেতন নাগরিকরা বলেন, হত দরিদ্রদের নামে বরাদ্দ ঢেউটিন কিভাবে বাবলুর ঘরে এলো? এরকমভাবে সরকারি সম্পদ আত্মসাত করতে থাকলে গরিবেরা একদিন কিছুই পাবে না। এব্যাপারে তারা কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

এবিষয়ে অভিযুক্ত অফিস সহকারী আবু বকর সিদ্দিক বলেন, আমি ভান্ডারিয়ায় চাকরির জন্য ভাড়া বাসায় থাকি। ত্রানের টিন আমি আত্মসাত করিনি। আমার বাড়িতে ত্রানের টিনের বিষয়ে আমি জানিনা।

গালুয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো: আমিনুল ইসলাম বলেন, সাংবাদিকদের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমি লোক পাঠিয়ে জানতে পারি যে তাদের বসত ঘরের ছাউনিতে সরকারি ত্রানের ঢেউটিন ব্যবহার করা হয়েছে।

রাজাপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: শফিউল বশারকে একাধিবার মুঠোফোনে কল দিলে তাকে পাওয়া যায়নি।

এব্যাপারে ভান্ডারিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: মামুন অর রশিদ বলেন, আবু বকর সিদ্দিক ত্রান শাখার অফিস সহকারী। কিন্তু তার বাড়িতে সরকারি ঢেউটিন কিভাবে গেলো তাতো আমি জানি না। আমাদের উপজেলার দরিদ্রদের ত্রানের ঢেউটিন গ্রহীতাদের সকলের তালিকা আছে তার মধ্যে তার নাম নাই।

রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাহুল চন্দ্র বলেন, আমাদের উপজেলায় যারা ত্রানের টিন পেয়ে থাকে আমরা তাদেরর বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে ঢেউটিন বিতরন করে থাকি। যদি কেউ বলে থাকে রাজাপুর উপজেলার ত্রানের টিন কিনেছেন তাহলে সেটা সঠিক নয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরণের আরও সংবাদ