• বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
দৈনিক খবর শিরোনাম
‎ঝালকাঠিতে স্বাস্থ্যকর্মীদের চক্ষুস্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ, ছানি নির্মূলে বিশেষ উদ্যোগ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রধান শিক্ষকের মর্মান্তিক মৃত্যু ২০ বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি স্বরুপকাঠি উপজেলার গগন গ্রামে, তিন হাজার মানুষের দুর্ভোগ চাহিদার শীর্ষে যুব উন্নয়নের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ প্রকল্প, ঝালকাঠি জেলায় আবেদন ৪৫১ শিক্ষা সহায়তায় আলো ছড়াচ্ছে ‘সোনিয়া স্মৃতি ফাউন্ডেশন’ সোনামসজিদ সীমান্তে ৩.৭ কেজি গাঁজা ও ব্যাটারি চালিত ভ্যানসহ ১ জন আটক ঝালকাঠিতে ব্রি ধান-১০৬ এর নমুনা কর্তন ও ফিল্ড ওরিয়েন্টেশন ঝালকাঠি সরকারি কলেজের ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময় কিশোর গ্যাং এর হামলা এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে গুরুতর আহত করায় সহপাঠিদের বিক্ষোভ ঝালকাঠি সরকারী বালিকা বিদ্যালয় শিক্ষিকা অপর্ণা দাস’র বিরুদ্ধে অশোভনীয় আচরণ ও শিক্ষার্থীকে প্রতিবন্ধী বলে গালি দেয়ার অভিযোগ

পরীক্ষার হল থেকে বেরিয়ে বাবার খাটিয়া কাঁধে নিল নাহিদ

দৈনিক শিক্ষাপ্রতিদিন,প্রতিবেদক / ৮৪ দেখায় সময়:
সর্বশেষ: শুক্রবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৫

টিবি রোগে আক্রান্ত হয়ে গত কয়েকমাস ধরে ভুগছিলেন কুমিল্লার লালমাইয়ের আক্তার হোসেন। বুধবার দিবাগত রাতে তিনি মারা যান, আর বৃহস্পতিবার সকালে তার ছেলে মো. নাহিদের ছিল এসএসসি পরীক্ষা। পরীক্ষা দিয়ে বের হয়ে নাহিদকে কাঁধে তুলে নিতে হয়েছে বাবার লাশ।
গতকাল দুপুরে লালমাই উপজেলার বড় হাড়গিলা এলাকায় নাহিদের বাবার দাফন কাজ শেষ হয়।

নাহিদ কুমিল্লার লালমাই উপজেলার হরিশ্চর ইউনিয়ন হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের পরীক্ষার্থী। উপজেলার মাতাইনকোট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন তিনি।

স্থানীয়রা জানান, নাহিদের বাবা আক্তার হোসেন ৪ মাস ধরে টিবি রোগে আক্রান্ত ছিলেন। গত মঙ্গলবার বিকেলে নাকে মুখে রক্ত বের হতে থাকলে তার বাবাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে তার বাবার মৃত্যু হয়।

নাহিদের পরীক্ষার কথা ভেবে তার বাবার জানাজা এবং দাফনের সময় নির্ধারণ করা হয় দুপুর ২টা। সে অনুযায়ী গতকাল পরীক্ষা শেষ করে হল থেকে বেরিয়ে নাহিদ সোজা চলে যায় বাবার জানাজায়। সেখানে গিয়ে জানাজায় অংশ নেন তিনি। জানাজা শেষে বাবার লাশের খাটিয়া কাঁধে করে কবর পর্যন্ত নিয়ে যান তিনি।

হরিশ্চর ইউনিয়ন হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ও এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ইলিয়াছ কাঞ্চন বলেন, বাবার মরদেহ বাড়িতে রেখে পরীক্ষার হলে এসেছিল নাহিদ। তার জন্য আমাদের সমবেদনা রইল।

নাহিদ সাংবাদিকদের বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে বাবার নিথর দেহ বাড়ির উঠোনে একা রেখে পরীক্ষা দিতে গিয়েছিলাম। পরীক্ষার হলে বসেও বাবাকেই ভাবছিলাম। কিছু লিখতে গেলেই খাতা দেখা যায় না, সাদা কাপড়ে মোড়ানো বাবার লাশ চোখে ভাসছিল। তারপরও কিছু কমন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। পরিবারে আমার মা রয়েছে। একমাত্র বড় বোনের বিয়ে হয়েছে। আমার ছোট ভাইটি মাতাইনকোট উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে পড়ছে। বাবাহীন একটি অসচ্ছল পরিবার কীভাবে সামনে পথ চলবে সেটাই ভাবছি। সবাই আমাদের পরিবারের জন্য দোয়া করবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরণের আরও সংবাদ